Freelancing বা ফ্রিল্যান্সিং বলতে কী বোঝায়? বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং-এ কোন কাজের চাহিদা বেশি ?

Spread the love

বর্তমানে Marketplace বা মার্কেটপ্লেস-এ কোন ধরনের ফ্রিল্যান্সিং কাজের চাহিদা বেশি ? কোন কাজটি শিখলে আমাদের জন্য সবথেকে ভালো হবে? সাধারণত যারা নতুন অথবা যারা ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চাচ্ছেন তাদের জন্য কোন কাজটি করলে সব থেকে ভালো হবে? 

আমরা যদি এমন কোনো কাজ শিখি যেটি মার্কেটে আগামী ১০ বছর পর থাকবে না, তাহলে ঐ কাজ কিন্তু আমরা Continue করতে পারবো না। কেনো করতে পারবো না ? কারণ ঐ সময় কাজটির Value বা মূল্যই থাকবে না। 

ঐ সময় আপনি এমন একটা পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে সেখান থেকে আপনি Movement করতে পারবেন না। তাই এমন কিছু শিখতে হবে যেটা আগামী বছর গুলোতে খুব ভালো মতো চলবে। এই বিষয় গুলো নিয়ে আমরা আজকে আলোচনা করব এবং এই বিষয় গুলো সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। 

আপনি যদি Beginner হন তাহলে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য অনেক উপকারী হবে। কারণ ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় একটি সেক্টর। অনেকেই এখন এই সেক্টরটাতে আসতে চাচ্ছে, এমনকি অনেকে চলেও আসছে। প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে কোন কাজটির Demand ভালো। 

Freelancing বা ফ্রিল্যান্সিং বলতে কী বোঝায় ?

ফ্রিল্যান্সিং বলতে আমরা মুক্ত পেশায় কাজ করাকে বুঝে থাকি। এই মুক্ত পেশা বা Freelancing এর মধ্যে যেই কাজ গুলো রয়েছে তার মধ্যে আমাদের দেশের মানুষ তিনটি কাজ বেশি বুঝে। সেগুলো হলো-

১. Graphics Design বা গ্রাফিক্স ডিজাইন

২. Web Design বা ওয়েব ডিজাইন

৩. Digital Marketing বা ডিজিটাল মার্কেটিং

এই তিনটি বিষয়ে সম্পর্কে আমরা অনেক ভালো করে জানি। তবে এর বাইরেও অনেক বিষয় রয়েছে। আপনি যদি এই বিষয় গুলো শিখতে চান, তাহলে এগুলোও শিখতে পারেন। 

তারপরেও কিছু কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো না শিখলেও হবে। আপনি নিজের  ‍Skills Development করার জন্য একটু সময় নেন। দেখবেন আপনি একটা ভালো পর্যায়ে যেতে পারবেন। তবে এখন আমরা দেখবো কোন জিনিসটা মার্কেটে বেশি চলছে বা চাহিদা বেশি। 

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহঃ

সর্বপ্রথমেই আপনি Fiver বা ফাইভার ওয়েব সাইটে যাবেন। তারপর এখানে আপনি যেই বিষয় সম্পর্কে জানতে চান সেই বিষয় লিখে সার্চ করতে হবে। তবে কোন কোন বিষয় লিখে সার্চ দিবেন সেটা আমি নিচে দিয়ে দিচ্ছি।

১। Graphics Design (গ্রাফিক্স ডিজাইন)

বর্তমান সময়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন সবথেকে জনপ্রিয় এবং Popular একটি ফ্রিল্যান্সিং কাজ। বর্তমানে এটার চাহিদায় ব্যাপক এবং Forever এই কাজটি থাকবে। কেন থাকবে ? কারণ যতদিন মার্কেটিং এই পৃথিবীতে থাকবে ততদিন গ্রাফিক্স ডিজাইন থাকবে। 

মার্কেটিং এ সবসময় Logo Design, Banner Design, Poster Design, T-shirt Design, এই ডিজাইন গুলো সবসময় প্রয়োজন হয়। তাই মার্কেটিং পৃথিবীতে থেকে কখনই যাবে না, এটি সবসময় থাকবে। বর্তমানে যেভাবে অনলাইনে মার্কেটিং দেখতে পাচ্ছেন। 

যেমন: আমাদের দেশের মধ্যেও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গুলো ভালো করছে, বিদেশীতেও ঠিক Same, আসতে আসতে অনেক বাড়বে, সবকিছু এখন ঘরে বসেই হবে। কোনো এক সময় কল্পনাতেও যেগুলো করতে পারতেন না সেগুলো এখন বাস্তবে হচ্ছে। 

আসতে আসতে সবকিছু একটা অনলাইন ভিত্তিক হয়ে যাবে। তো যখন অনলাইনে সবকিছু করবে তখন এই জিনিস গুলো অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা আরো বাড়বে। এজন্য এমন কোনো কাজ করা যাবে না যেটা রবোর্ট দিয়েও করা সম্ভব। Graphics Design যখন আপনি শুরু করবে তখন অনেক গুলো পার্ট পাবেন। 

এই পার্ট গুলোর মধ্যে যে কোনো একটিতে আপনি এক্সপার্ট হতে পারেন। মনে করেন T-shirt ডিজাইনটা আপনি শিখতে চান। এই বিষয়ে যদি এক্সপার্ট হতে পারেন তাহলে নিয়োমিত আপনি এই ধরনের কাজ করতে পারবেন। 

গ্রাফিক্স ডিজাইন অনেক ভালো একটি ফ্রিল্যান্সিং কাজ। আপনি চাইলে এই কাজটি শিখতে পারেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনের সবগুলো পার্ট শেখার প্রয়োজন নেই যে কোনো একটা পার্ট শিখতে পারলেই হবে।

২। Web Design বা ওয়েব ডিজাইন

বর্তমান সময়ে ওয়েভ ডিজাইন এটাও অনেক জনপ্রিয় একটি ফ্রিল্যান্সিং কাজ। এখানে যারা কাজ করে তারা মোটামুটি ভালো Review Generate করছে এবং ভালো টাকা আয় করছে। আর Web Design এর ডিমান্ড কিন্তু অনেক বেশি। 

যেমন একটা Web সাইট Develop করে দিলে ৯৫, ১৫৫, ৫০০ ডলা্র পর্যন্ত পাওয়া যায়। তো Web Design এর মধ্যেও কিছু কিছু পার্ট রয়েছে। এই পার্ট গুলো সম্পর্কে জ্ঞান রাখলে খুব সহজেই আপনি ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারবেন। যেমন-

১. কোডিং: HTML, CSS, JavaScript, jQuery, Dreamweaver।

২. ডিজাইন ও গ্রাফিক্স: Photoshop, Illustrator, InDesign।

৩. কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: WordPress, Drupal, Joomla।

আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন শিখতে চান তাহলে এই বিষয় গুলো সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। এগুলো মধ্যে যেকোনো একটির উপরে এক্সপার্ট হতে পারলে খুব সহজেই ওয়েব ডিজাইন করতে পারবেন। 

৩। Digital Marketing বা ডিজিটাল মার্কেটিং

ফ্রিল্যান্সিং এর বেশি চাহিদা সম্পূর্ণ কাজের মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং উন্নতম। ডিজিটাল মার্কেটিংটাকে বলা যায় একটা গাছ, কারণ এর মধ্যে অনেক ডালপালা রয়েছে। 

যেমন: সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি। তো এই গুলোর মধ্যে যদি আপনি যে কোনো একটি বিষয় শিখতে পারেন তাহলে কিন্তু এখান থেকে আপনি ভালো কিছু করতে পারবেন। 

আপনি কিছুই পারেন না, শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংটা বোঝেন বা শিখতে চাচ্ছেন, আপনি সেখানে ভালো কিছু করতে পারবেন। যেমন ফেসবুক সম্পর্কে সবাই কম বেশি যানে এবং আপনি যদি ফেসবুক মার্কেটিং ঠিকমতো শিখতে পারেন তাহলে এখানে অনেক ভালো কিছু করতে পারবেন। আপনাকে সব বিষয়ে জানতে হবে না, যে কোনো একটি বিষয়ে জানতে পারলেই হবে। 

এই যে বিষয় গুলো আমি বল্লাম এই বিষয় গুলো আগামী ১০ বছর ভালো পারফমেন্স করবে। কারণ সোশ্যাল মিডিয়াকে টেক্কা দেওয়া মতো পৃথিবীতে কোনো কিছু আসে নি। তবে হতেও পারে কারণ অসম্ভব কিছুই না। এই তিনটি বিষয় ছাড়াও ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে আরো বেশ কিছু কাজ রয়েছে। এগুলো হলো

৪। Video Animation বা ভিডিও এডিটিং

বর্তমান সময়ে অনেক জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং কাজের মধ্যে ভিডিও এডিটিং বা ভিডিও অ্যানিমেশন কাজটি অনেক জনপ্রিয়। ইউটিউব অথবা ফেসবুকের মধ্যে ঢুকলেই আমরা যেই ভিডিও Animation দেখতে পাই এগুলোর চাহিদা অনেক। 

যতদিন পৃথিবী থাকবে ততদিন এই কাজটি চলবে। বড় বড় ভিডিও মার্কেটপ্লেস গুলোতে এর চাহিদা ব্যাপক হারে বেড়ে যাচ্ছে। তাই আপনি চাইলে এই কাজটিও শিখতে পারেন। বিভিন্ন সফটওয়ারের সাহায্যে ভিডিও এডিটিং বা এনিমেশন করতে হয়। যেমনঃ

১. Adobe After Effect

২. 3D Max

৩. Maya

৪. Flash

ইত্যাদি, অনেক ধরনের সফটওয়ার মার্কেটে কিনতে পাওয়া যায় ।

৫। App Development বা অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট

বর্তমান সময়ে সবার হাতে একটি না একটি স্মার্টফোন আপনি পেয়ে যাবেন। হয়তো কারো হতে দামি স্মার্টফোন অথবা আবার কারো হতে একটু স্বল্প মূল্যের স্মার্টফোন।  আর স্মার্টফোন গুলোর মধ্যে রয়েছে সব অ্যাপ্লিকেশন। 

আপনি কি একবারও চিন্তা করে দেখেছেন অ্যাপ্লিকেশনগুলো কারা তৈরি করে থাকে বা অ্যাপ্লিকেশনগুলো কিভাবে তৈরি করা হয়েছে। আমরা যদি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কথা বলে থাকে তাহলে এগুলো তৈরি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট। 

আর যারা এই সমস্ত অ্যান্ড্রয়েডে অ্যাপ্লিকেশনগুলো তৈরি করে থাকেন তাদের কে বলা হয় অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভলপার। 

বর্তমান সময়ে অনলাইন বাজারে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপার এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। আপনি চাইলে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারেন অথবা আপনি চাইলেও উচ্চ স্যালারিতে কোন একটি কোম্পানিতে জব করতে পারবেন।

৬। Ethical Hacking বা ইথিক্যাল হ্যাকিং

ইথিক্যাল হ্যাকিং হচ্ছে কম্পিউটার সিস্টেম, অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের দুর্বলতা বা ত্রুটি গুলো খুঁজে বার করে সেইগুলোর সমাধান করে দেওয়া এবং সেটিকে আরো বেশি secure করে তোলা।

যারা hack করে তাদের কে হ্যাকার বলে । 

ইথিক্যাল হ্যাকার রা কিন্তু চাইলে হ্যাক করতে পারে কিন্তু সেটা তারা করে না। তারা বৈধভাবে পারমিশন নিয়ে যেকোনো সিস্টেমকে hack করে থাকে কম্পিউটার সিস্টেম, অ্যাপ বা ওয়েবসাইট কে হাইসিকিউরিটি প্রদানের জন্য।

ইথিক্যাল হ্যাকিং কী  এই ব্যাপারটি আর একটু ভেঙে বললে হয়তো আপনারা ব্যাপারটা ভালো বুঝতে পারবেন আমরা কিন্তু প্রতিনিয়ত এই শুনছি ওয়েবসাইট হ্যাক, কম্পিউটার হ্যাক, মোবাইল হ্যাক ইত্যাদি ঘটনা তো এরকম অবৈধ কাজ করে থাকে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা। 

তো বড় বড় কোম্পানি বাকি দেশগুলো এই হ্যাকারদের হাত থেকে তাদের ওয়েবসাইট বা তাদের কম্পিউটার সিস্টেম কি রক্ষা করার জন্য বা আরও উন্নত security প্রদানের জন্য ইথিক্যাল হ্যাকার দের কাছে আশ্রয় নেয় এবং তারা সিস্টেমের দুর্বলতাগুলো খুঁজে বার করে সেগুলোর সমাধান করে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের হাত থেকে রক্ষা করে। 

এই কাজটিও যদি আপনি যদি শিখতে পারেন বা এই বিষয়ে যদি আপনার দক্ষাতা থাকলে তাহলে আপনিও অনেক ভালো কিছু করতে পারবেন। 

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসঃ

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস হল আপওয়ার্ক(Upwork)। এটি হল সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ, প্রতিযোগিতামূলক কাজের মূল্য এবং মানসম্পন্ন কাজের জন্য সুনাম রয়েছে। ফ্রিল্যান্সারদের কাজের জন্য টাকা সুরক্ষা প্রদান করে যথা সময়ে প্রদান করা হয়।

ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অন্যান্য জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসের মধ্যে রয়েছে Fiverr, Freelancer.com এবং PeoplePerHour। এই প্ল্যাটফর্মগুলির প্রতিটিতে অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা রয়েছে যা বিভিন্ন ধরণের ফ্রিল্যান্সারদের কাছে গ্রহণ যোগ্যতা পেয়েছে।

ফ্রিল্যান্সিং শিখে কত টাকা যায় করতে পারি?

ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে টাকা আয় করা সহজ, তবে এটা নির্ভর করে ফ্রিল্যান্সারের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং তারা যে ধরনের কাজ করে তার উপর।ফ্রিল্যান্স চাকরি যা সবচেয়ে বেশি অর্থ প্রদান করে তার মধ্যে রয়েছে সফটওয়্যার ডেভেলপার, ওয়েব ডিজাইনার, গ্রাফিক ডিজাইনার এবং ডিজিটাল মার্কেটিং।

অন্যান্য উচ্চ বেতনের ফ্রিল্যান্স কাজের মধ্যে লেখক, জনসংযোগ বিশেষজ্ঞ, ভার্চুয়াল সহকারী এবং সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার অন্তর্ভুক্ত। সাধারণভাবে, একজন ফ্রিল্যান্সারের যত বেশি বিশেষ দক্ষতা থাকে, তাদের হার তত বেশি হতে পারে।

২-৪ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন পেশাদার ফ্রিল্যান্সার $35,000 থেকে $49,000 উপার্জন করে, যেখানে ৫-১০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন $৫০,০০০ থেকে $৮০,০০০বেতন পায়।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একজন পেশাদার ফ্রিল্যান্সার মাসে ৪-৫ লাখ টাকা আয় করে। অনেকেই নিজে এবং একটি এজেন্সি খুলে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে থাকে। কযেকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসে গিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কাজের আয়ের পরিমান সহজেই বুঝা যায়।

ভালভাবে বলতে গেলে , ফ্রিল্যান্সারদের যাদের কাজের একটি দুর্দান্ত পোর্টফোলিও এবং কাজের রেফারেলগুলির একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে তারা অনেক বেশি টাকা আয় করতে পারে।

তবে, একটি কথা মনে রাখতে হবে যে, যে কাজটি ভালভাবে করতে পারবেন, সেটাই করবেন যাতে করে ক্লায়েন্ট খুশি হয়ে আরোও কাজ দিতে পারে ও পরবর্তীতে কাজের রেফারেন্সও আরো কাজ পেতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ কি ?

ফ্রিল্যান্সিং এর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। গিগ অর্থনীতির উত্থান এবং দূরবর্তী কাজের ক্রমবর্ধমান প্রসারের সাথে, আরও বেশি সংখ্যক মানুষ জীবিকা নির্বাহের উপায় হিসাবে ফ্রিল্যান্সিংয়ের দিকে ঝুঁকছে। প্রবণতাটি বাড়তে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে, কারণ আরও কোম্পানি এবং সংস্থাগুলি অর্থ সাশ্রয় করতে এবং তাদের ওভারহেড খরচ কমাতে ফ্রিল্যান্স প্রতিভা নিয়োগ করতে চায়।

প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান বিস্তারের সাথে, ফ্রিল্যান্সিং সহজ এবং আরও সহজলভ্য হয়ে উঠছে, যা মানুষকে তাদের নিজের ঘর থেকে সফল ব্যবসা গড়ে তুলতে সাহায্য করছে। আগামী বছরগুলিতে ফ্রিল্যান্সাররা আরও বেশি কাজের সুযোগ, আরও নমনীয় কাজের ব্যবস্থা এবং তাদের দক্ষতা দেখিয়ে আরও কাজের উপায় বের করার আশা করতে পারে।

আমি কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারি?:

আপনার কাজ প্রকাশ করুন:

এটি করার একটি উপায় হল অতিথি ব্লগিং শুরু করা। এর মাধ্যমে আপনি আপনার কাজ প্রদর্শন করতে পারেন এবং আপনার সমস্ত প্রকাশিত/লাইভ কাজকে এক জায়গায় আনতে একটি পোর্টফোলিও তৈরি করতে পারেন ।

একটি ফ্রিল্যান্সার অ্যাকাউন্টের জন্য সাইন আপ করুন:

আপওয়ার্কের মতো প্ল্যাটফর্মে একটি ফ্রিল্যান্সার অ্যাকাউন্টের জন্য সাইন আপ করার কথা বিবেচনা করুন, যেখানে আপনি লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্স কাজ করার সুযোগগুলিতে অ্যাক্সেস করতে পারবেন। এটি আপনাকে ফ্রিল্যান্স চাকরি খুঁজে পেতে এবং আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে সাহায্য করতে পারে।

প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করুন:

আপনার প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে এখনই কাজ শুরু করার জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্স লেখক হন তবে নিশ্চিত করুন যে আপনার একটি নির্ভরযোগ্য কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। আপনি যদি একজন প্রোগ্রামার হন তবে নিশ্চিত করুন যে আপনি প্রোগ্রামিং বিষয়ে যথেষ্ট ধারণা আছে আছে।

Leave a Comment